- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 6
- Всего постов
- 27
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 162
- 1/48двое суток
- 185
- 1/72трое суток
- 200
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
без подписи
без подписи
ভবিষ্যতে জন্ম, জীবন, আর মৃ*ত্যু সবই প্রযুক্তি আর সংখ্যার নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে ! মানুষ তখন কেবল ডেটা হয়ে যাবে।পরিসংখ্যান আর ফাইলে বন্দি এক অস্তিত্ব। যেখানে অনুভূতি, সম্পর্ক, আর মানবতার জায়গা থাকবে না! সবকিছু মাপা হবে লাভ লোকসান আর ঠান্ডা অ্যালগরিদমে!!
টিকা দিয়ে মানুষকে আজীবনের রোগী বানিয়ে রেখে মুনাফা লোটা ওদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা। কিন্তু টিকা গ্রহণ না করে সুস্থভাবে বেঁচে থাকাটা আমাদের চ্যালেঞ্জ!
মানুষ এখন খুব বেশি freedom চায়। সে চায় নিজের মতো করে বাঁচতে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে কারও নিয়ন্ত্রণে না থাকতে। কিন্তু মজার বিষয় হলো আমরা বাইরের স্বাধীনতার কথা যতটা বলি নিজের ভেতরের স্বাধীনতার কথা ততটা ভাবি না। একবার নিজের জীবনটার দিকে তাকান। আপনি কখন ফোন ব্যবহার করবেন কতক্ষণ করবেন এই সিদ্ধান্ত কি সত্যিই আপনি নেন? নাকি একটা নোটিফিকেশন, একটা রিল, একটা ভিডিও কিংবা একটা স্ক্রল আপনাকে নিজের অজান্তেই আবার স্ক্রিনের সামনে নিয়ে আসে? আমরা বলি আমি স্বাধীন কিন্তু নিজের screen time-টাই যদি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি তাহলে এই স্বাধীনতা কতটা বাস্তব? স্বাধীনতা শুধু নিজের ইচ্ছামতো কিছু করার নাম নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাও। আপনি চাইলে ফোনটি পাশে রেখে দিতে পারবেন। অপ্রয়োজনীয় কনটেন্ট এড়িয়ে যেতে পারবেন, কয়েক ঘণ্টা কোনো স্ক্রিন ছাড়াই থাকতে পারবেন তখনই আপনি সত্যিকারের নিয়ন্ত্রণে আছেন। পৃথিবীতে আমাদের অনেক কিছুই আমাদের মনোযোগ দখল করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। যত বেশি সময় আমরা স্ক্রিনে থাকি তত বেশি কনটেন্ট দেখি তত বেশি বিজ্ঞাপন দেখি তত বেশি ডেটা তৈরি করি। তাই প্রশ্নটা শুধু কে আমাকে নিয়ন্ত্রণ করছে তা নয়। প্রশ্নটা হল আমি কি নিজেকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি? কারণ যে মানুষ নিজের মনোযোগ, সময় এবং অভ্যাসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না তাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাইরে থেকে খুব বেশি শক্তির প্রয়োজন হয় না। আসল freedom হলো নিজের সময়ের মালিক হওয়া। নিজের মনোযোগের মালিক হওয়া এবং নিজের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকা।
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
মাত্র ৩৫ কিলোমিটার এর মধ্যে নেটওয়ার্ক কাভার দিতে মোবাইল কোম্পানিগুলো হিমশিম খেয়ে যায়। সেখানে কিনা ১০০০ কিলোমিটার উপর থেকে (তাও আবার তীব্রগতিতে ঘূর্ণায়মান) আপনাদেরকে কথিত স্যাটেলাইট দিয়ে নেটওয়ার্ক সরবরাহ করা হয়। এটাও আপনারা বিশ্বাস করেন⁉️
জীবনের এমন একটা পর্যায়ে গিয়ে আপনার মনে হবে যে কম জানাশোনাই ভাল ছিল অথচ ততক্ষণে আপনি সব জেনে গুষ্টিপিন্ডি উদ্ধার করে দিয়েছেন। আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স, টেকনোক্রেসি, ট্র|ন্সহিউম্যানিজম, গ্লোবালিজম, ডিপ স্টেট, পাওয়ার ব্রোকার, ম্যাট্রিক্স সম্পর্কে আপনি আমি যত বেশি জানছি তত বেশি ডিরেইল্ড হচ্ছি। এজন্য ডিরেইল হচ্ছিনা যে আমাদের এওয়ারনেসের কারণে ডিপ স্টেট বা কাবাল অর্গানাইজেশন তাদের এজেন্ডা চেন্জ করছে। আমরা আসলে ফিয়ার প্রোগ্রামিং ক্রিয়েট করে নিজেদেরকেই স্যাবোটাজ করছি। সহজ জিনিসকে সহজভাবে নিতে পারার মত মানসিকতা হারিয়ে ফেলে একটা অজানা গন্তব্যহীন লুপে পড়ে যাচ্ছি। যেখান থেকে তৈরি হচ্ছে ম*রণব্যাধি ‘আইডেন্টিটি ক্রাইসিস’। এই সমস্যাটা আপনাদের/ আমাদের মত শহরের মানুষদেরই বেশি। আমরা যেকোনো জিনিস খুব চটকাই বা কচলাতে পছন্দ করি। সেটা লেবু হোক বা অর্জিত জ্ঞানই হোক! শহরের ইট পাথর সিমেন্টের বাইরে আমরা যে দুনিয়াটা দেখতে পাই সেটাই অরজিনাল ক্রিয়েশন। যেটা মূলত আর্টিফিশিয়াল ম্যাট্রিক্স দ্বারা অভারলেইড। এই দুনিয়ার স্বাদ আপনার বাপ দাদা বা মা নানিরা পেলেও আপনি আমি বা আমাদের পরবর্তী জেনারেশন একদমই পাবেনা।
আ ফ গা নিস্তানে ৩ য় শ্রেণীর উপরে নারী শিক্ষা নিষিদ্ধ করেছে। এই হাল জামানায় উম্মা-হর মধ্যে এটার চাইতে প্রশান্তিদায়ক আর কোনো সংবাদ নেই। দা?জ্জালের ম্যা-ট্রিক্স ধোঁকা যাদের মস্তিষ্ক কে নিলামে তুলেছে আধুনিকতার বস্তাপচা চিন্তায়। তাদের কে বলি আজ যদি এমন কোনো যন্ত্রাংশ থাকতো সতীত্ব পরীক্ষা করার! আজ যদি এমন কোনো যন্ত্রাংশ থাকতো অবৈধ ক!নডম কাউন্ট করার! আজ যদি এমন কোনো যন্ত্রাংশ থাকতো অবৈধ পিল কাউন্ট করার। আজ যদি এমন কোনো যন্ত্রাংশ থাকতো সকল অবৈধ এভারেশনের মৃত বাচ্চাদের আইডিন্টি প্রকাশ করার। তাহলে আজ রাস্তার কু'ত্তাও আপনাদের এই সুশীলতার মুখে প্রস্রাব করে দিতো। কিসের আধুনিকতা শিখাতে আসছেন আমাদের। ঢাকা সিটির কয়জন মেয়ে সতীত্ব সম্পন্ন এই প্রশ্নটা করে গেলাম।
প্রযুক্তির দাসত্বে মানুষ ধীরে ধীরে তার নিজের স্বাধীনতা ও মানবিকতা হারিয়ে ফেলছে। ভবিষ্যতের পৃথিবী হয়তো আরও উন্নত হবে কিন্তু সেই উন্নতির আড়ালেই মানুষের জন্য অপেক্ষা করবে এক কঠিন ও নিয়ন্ত্রিত জীবন‼️
করোনার ভয় দেখিয়ে যখন গোটা পৃথিবীকে দিনের পর দিন স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মানুষকে ভয় দেখিয়ে ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। তখন থেকেই নজরদারি আর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর মাধ্যমে বিশ্বব্যবস্থায় একটা বড় পরিবর্তন শুরু হয়েছে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বলুন বৈশ্বিক জরুরি শাসন বলুন কিংবা WEF-এর সরাসরি প্রভাব বিষয়টাকে যেভাবেই দেখুননা কেন আসল বিষয়টা হলো নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই বাড়ানো হচ্ছে। লকডাউন উঠে যাওয়ার পরও একটা শব্দ খুব জোরে শোনা গিয়েছিল “New Normal”। তখন হয়তো অনেকেই বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয়নি। বেশিরভাগ মানুষ এগুলো খেয়ালই করে না। কিন্তু গল্পটা সেখানেই শেষ হয়নি। তারপরে বিল গেটসের মুখে শোনা গেল “ভারতবর্ষ আমার ল্যাবরেটরি।” তারপর এল Pandemic Treaty এর প্রশ্ন। ভারত সেই চুক্তিতে সই করলো। একটার পর একটা ঘটনা সামনে এসেছে। কিন্তু আমরা কি সত্যিই এগুলোকে আলাদা আলাদা ঘটনা হিসেবে দেখব নাকি পুরো ছবিটাকে একসঙ্গে দেখার চেষ্টা করব? কারণ প্রশ্নটা এখন খুব সহজ। আজ যেটুকু স্বাধীনতা এখনও আমাদের হাতে আছে কাল সেটুকুও যদি না থাকে তখন প্রশ্ন করার সুযোগটাই বা থাকবে কোথায়? এরপরে শরীরের উপরেও অধিকার হারাতে হবে। আর আপনারা রাজনৈতিক দলাদলি নিয়েই থাকুন।।
শিশুদের জন্য তৈরি এই কার্টুনে একটি নতুন স্মার্ট ট্যাগ দেখানো হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে এটি মানুষের জীবনে একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে আসবে। গল্পে এমনভাবে দেখানো হয়েছে যে এই চিপ লাগানোর পর মানুষকে ড্রোনের মতো নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
আন্তর্জাতিক আইনে একজনকে শিশু হিসাবে বিবেচনা করা হয় ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত । কিন্তু বয়সটা ১৮ করা হলো কেনো? যদি ১৮ না করে ১৬ বা ১৭ কিংবা ১৯ বা ২০ করলে কী সমস্যা হতো? ১৮ কে রিডিউস করলে আমরা পাই ১+৮ = ৯ । যা একসাথে নিজের মধ্যে সত্য এবং মিথ্যা উভয়কে ধারণ করে । আবার ১৮ কে রিডিউস করলে হয় ”৬+৬+৬” যাকে বলা হয় মার্ক অব দ্য বিস্ট । ইজ ইট পসিবল! প্রকৃতিতে প্রত্যেকটি সংখ্যার একটি নির্দিষ্ট ভাইব্রেশন, এনার্জি এবং ফ্রিকুয়েন্সি আছে । তাহলে এটা খুবই সম্ভব এই বয়সটা ১৮ নির্ধারণ করা সাধারণ কোন বিষয় না । আল্লাহ ভালো জানেন এই ব্যাপারে । কি লুকনো হয়েছে আমাদের মাঝে।
স্কুলে আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয় ভালো রেজাল্ট করো ভালো চাকরি পাবে, ধনী হয়ে যাবে। কিন্তু সত্যিটা হল ৯৮% মানুষ ভালো ডিগ্রি নিয়েও শুধু বাকি জীবনের জন্য দৌড়েই যায়। তারা চাকরি, কিস্তি, কর, বিল এই দাসত্বের চাকা থেকে আর বের হতে পারে না। আসল কথা জানেন? ধনী হতে হলে ব্যাংক ব্যালেন্স না দরকার শান্তি আর স্বাধীনতা। আপনার নিজের একটা জমি থাক যেখানে আপনি ফসল ফলাতে পারেন। নিজের খাবার, পানি, দুটো গরু, ছাগল থাকবে । সাথে একটা আপন-ভরা পরিবার আর পাশে দাঁড়ানো প্রতিবেশী কমিউনিটি থাকবে। না কোনো বসের বকা না কোনো অফিস টাইম, না কোনো রেস! এইটুকু থাকলেই আপনি সবচেয়ে ধনী। এটাই আসল রাজত্ব বাকি সব লোকদেখানো দাসত্ব!
বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা মানুষকে বুদ্ধিমান মানুষ বানানোর জন্য বানানো না, এটা বানানো হয়েছে ভালো অনুসারী বানানোর জন্য! এটা অনেকেই বিশ্বাস করে না। কারণ তাদেরকে ভেড়া বানিয়ে রাখা হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয় চুপচাপ বসে শোনো, প্রশ্ন কোরো না, যা বলা হয় সেটাই ঠিক। আপনাকে শেখানো হয় কীভাবে পরীক্ষা পাস করতে হয়, কিন্তু শেখানো হয় না কেন এই সিস্টেমটা এমন। শেখানো হয় হিসাব করতে, কিন্তু শেখানো হয় না টাকা আসলে কীভাবে কাজ করে। আসল গণিত যেটা দিয়ে বোঝা যায় ঋণ, সুদ, কর। প্রকৃত তথ্য শেখানো হয় না। আসল অর্থনীতি যেটা দেখায় কে গরিব হয় আর কে ধনী থাকে। আসল তথ্য লুকিয়ে রাখা হয়। আসল আইন আর আসল ইতিহাস পড়ানো হয় না, যেখানে ক্ষমতাবানদের চালাকি আর অন্যায়ের গল্প আছে সেগুলো হালকা করে দেখানো হয় বা বাদই দেওয়া হয়! কারণ, যদি মানুষ এসব বুঝে ফেলে তাহলে সে আর অন্ধভাবে মানবে না। সে প্রশ্ন করবে, সে ভাববে, সে “কেন” জানতে চাইবে। আর যে মানুষ “কেন” জানতে চায় তাকে দিয়ে দাসত্ব চালানো যায় না!!
ইরাকি গোয়েন্দা নথিতে ওহাবি আন্দোলন ব্রিটিশদের পাতানো এবং বর্তমান রাজ পরিবার ইহুদী ছিল তার সকল প্রমাণ। ইরাকের General Military Intelligence Directorate (GMID)-এর একটি গোপন নথি, যার তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০২। এই নথিটির ইংরেজি অনুবাদ করে U.S. Defense Intelligence Agency (DIA)। অনূদিত নথিটির ডকুমেন্ট নম্বর ISGQ-2003-00046659-HT এবং এটি মোট ৫৬ পৃষ্ঠার একটি রেকর্ড। এর সঙ্গে "The Truth About The Wahabi Movement" শিরোনামের একটি গবেষণাও সংযুক্ত রয়েছে। গবেষণাটির সূচিপত্রে সরাসরি একটি অধ্যায়ের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে: "The Common Jewish Descent of Muhammad bin 'Abd-al-Wahab and Muhammad bin Su'ud" অর্থাৎ, "মুহাম্মদ ইবন আবদুল-ওয়াহহাব ও মুহাম্মদ ইবন সুদের অভিন্ন ইহুদি বংশপরিচয়। নথিটি প্রকাশের কিছুদিন পরই ইরাক যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধ শুরুর মাত্র দুই মাস পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল রিয়াদ সফর করে ক্রাউন প্রিন্স আবদুল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর ১৩ ডিসেম্বর ২০০৩ সালে মার্কিন বাহিনী সাদ্দাম হুসাইনকে আটক করে। অর্থাৎ, নথিটি প্রকাশের প্রায় ১ বছর ৩ মাস পরে সাদ্দাম হুসাইন গ্রেপ্তার হন। ১৭শ শতকে শাব্বাতাই জেভি (Sabbatai Zevi) নিজেকে প্রতীক্ষিত ইহুদি মসীহ বলে দাবি করেন। পরে উসমানীয় শাসকদের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহণ করেন। কিন্তু তিনি প্রকৃতপক্ষে ইসলাম গ্রহণ করেননি; বরং নিজের জীবন রক্ষার জন্য মুসলিম পরিচয় গ্রহণ করেছিলেন এবং গোপনে ইহুদি ধর্ম পালন চালিয়ে যান। তার অনুসারীরাও একই পথ অনুসরণ করে। এই গোষ্ঠীকে "দোনমেহ (Dönmeh)" নামে পরিচিত করা হয়। এরপর নথিতে বলা হয়েছে, দোনমেহ গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য ছিল মুসলমান পরিচয়ে ইসলামের ভেতরে প্রবেশ করা, মুসলিম সমাজে প্রভাব বিস্তার করা এবং ধীরে ধীরে ইসলামের ভেতরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা। তারা মুসলিম নাম ব্যবহার করত, বাইরে মুসলমানের মতো জীবনযাপন করত, কিন্তু গোপনে নিজেদের আগের বিশ্বাস বজায় রাখত। এই দোনমেহ গোষ্ঠীর একজন সদস্য তুরস্ক থেকে সিরিয়ায় যান। সেখানে গ্রহণযোগ্যতা না পাওয়ায় তিনি মিসরে চলে যান। মিসর থেকেও বিতাড়িত হওয়ার পর তিনি মক্কায় যান। মক্কা থেকেও চলে যেতে বাধ্য হলে শেষ পর্যন্ত নাজদের আল-উয়াইনাহ অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেন এবং নিজেকে আরব বংশোদ্ভূত বলে পরিচয় দেন। ওই ব্যক্তির বংশেই পরে আবদুল-ওয়াহহাব জন্মগ্রহণ করেন এবং তার সন্তান হিসেবে মুহাম্মদ ইবন আবদুল-ওয়াহহাবের জন্ম হয়। লেখক এখান থেকেই দাবি করেন যে, ওহাবি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতার বংশ দোনমেহ ইহুদিদের সঙ্গে সম্পর্কিত। একইভাবে নথিতে সৌদ পরিবারের বংশ সম্পর্কেও একটি দাবি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বসরার একজন ইহুদি ব্যবসায়ী আরব গোত্রের সদস্য পরিচয় দিয়ে নাজদে প্রবেশ করেন। পরে তিনি প্রতারণার মাধ্যমে জমি ও ক্ষমতা দখল করেন এবং সেখান থেকেই সৌদ পরিবারের সূচনা হয়। এরপর নথিতে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ব্রিটিশ গুপ্তচর হামফার (Humpher) বসরায় মুহাম্মদ ইবন আবদুল-ওয়াহহাবের সঙ্গে পরিচিত হন এবং ধীরে ধীরে তাকে ব্রিটিশ স্বার্থের পক্ষে প্রভাবিত করেন। পরে ব্রিটিশ সরকার মুহাম্মদ ইবন আবদুল-ওয়াহহাবকে একটি নতুন ধর্মীয় আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। এর বিনিময়ে তাকে অর্থ, অস্ত্র, রাজনৈতিক সমর্থন এবং নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে একটি স্বাধীন আমিরাত প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করার কথাও বলা হয়। এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে কিছু লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল মুসলমানদের একে অপরকে কাফির ঘোষণা করতে উৎসাহিত করা, মুসলিম সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করা, কবর, মাজার ও গম্বুজ ধ্বংস করা, ইসলামের নতুন ব্যাখ্যা প্রচার করা, মুসলিম সমাজে গৃহযুদ্ধ সৃষ্টি করা এবং শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা করা। মুহাম্মদ ইবন আবদুল-ওয়াহহাব ও মুহাম্মদ ইবন সাউদের মধ্যে একটি জোট গঠিত হয়। এই জোটে ধর্মীয় নেতৃত্ব নেন ইবন আবদুল-ওয়াহহাব এবং রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব নেন ইবন সাউদ। এই জোট থেকেই ওহাবি সৌদি শক্তির উত্থান শুরু হয়। এরপর নাজদে একটি নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং যারা এই আন্দোলন গ্রহণ করেনি, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করা হয়। এই পুরো সময়ে ব্রিটিশরা অর্থ, অস্ত্র ও রাজনৈতিক সমর্থন দিয়ে আন্দোলনটিকে শক্তিশালী করতে থাকে। ওহাবি আন্দোলন ছিল ব্রিটিশ রাজনৈতিক পরিকল্পনার একটি অংশ, যার উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম উম্মাহকে বিভক্ত করা, ইসলামী ঐক্য দুর্বল করা এবং ঔপনিবেশিক শক্তির স্বার্থ রক্ষা করা। বর্তমান সৌদি রাজপরিবার সেই ঐতিহাসিক সৌদ পরিবারেরই ধারাবাহিক উত্তরসূরি এবং ওহাবি মতবাদ আজও সেই ঐতিহাসিক জোটের আদর্শিক ভিত্তি হিসেবে বিদ্যমান।