tgindex
Последний пост
25 нояб.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
14 авг.
Подписчики
6 692
−6 за 2 дн.
Сутки
−6
−0,09%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
2 576
20 постов
Вовлечённость
38,5%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 20
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
1/48двое суток
1/72трое суток

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • 25 нояб.1 86071

    Friends, I promised to share important information with you and today I am fulfilling my promise! 😊 Over the past few days, my team and I have conducted a thorough search for a profitable arbitrage opportunity and thanks to market volatility influenced by global economic factors, we have found it. 📈 This opportunity will not exist for long and I am sharing it with you because my team and I have already made profits and now you have the opportunity to do the same 💰✨ So here's the bottom line: Buy BNB on Binance and sell it on Chainlurk.com with a 10 per cent profit margin. 🚀 You can start with a small amount to test the effectiveness of the strategy and then increase the trading volume. Keep in mind that this information will only be available in the public group for a few hours, after that I will remove it. ⏳ Good luck and have a great day! 🌟

  • সালাফদের কেউ কেউ বলেছেন, যখন দেখবে যে তুমি আল্লাহর অবাধ্যতায় কায়েম আছ অথচ এরপরেও আল্লাহ তোমাকে নিয়ামত দিয়ে যাচ্ছেন, তখন সতর্ক হয়ে যাও। কেননা এটা হচ্ছে ইস্তিদরাজ এর মাধ্যমে তোমাকে ধীরে ধীরে পাকড়াও করা হচ্ছে। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ [আদ দা ওয়াদ দাওয়া, পৃঃ ৩১, দারু তাইবাহ, ২০১৫ ঈ.] এই বিষয়টা বোঝার জন্য এই আয়াতটা দেখা যেতে পারেঃ অতঃপর তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা যখন তা ভুলে গেল, আমি তাদের উপর সব কিছুর দরজা খুলে দিলাম। অবশেষে যখন তাদেরকে যা প্রদান করা হয়েছিল তার কারণে তারা উৎফুল্ল হল, আমি হঠাৎ তাদেরকে পাকড়াও করলাম। ফলে তখন তারা হতাশ হয়ে গেল। সুরা আন'আম, আয়াত ৪৪

  • লড়াইটা আফগান ও পাকিস্তানি মুসলমান জনগণের মধ্যে নয়। লড়াইটা একটা সেক্যুলার রাষ্ট্র, তার পশ্চিমা পুতুল ও মুনাফিক শাসক এবং একটা ইসলামি ইমারাতের মুসলিম শাসকদের মধ্যে। এখন এটা আপনার বিষয় আপনি কোন পক্ষ নেবেন। যাদের পক্ষ নেবেন তাদের সাথে নিজের আখিরাত আপনি চান কি না সেটা ভেবে নিয়েন। - আহমেদ রফিক ভাই

  • ভিডিওঃ চোখের দেখাই সব কিছু নয়! Courtesy: RealityCheckBD

  • আর-রাহমান চাহেন তো— আমরা আসবো, এক ভীষণ তুফানে, বিপুল প্রলয়-গর্জন নিয়ে। অবিরল রকেট বৃষ্টি, সৈনিকের সীমাহীন স্রোত; শত সহস্র মানুষের ঢল আর নিরবিচ্ছিন্ন যিকরের ধ্বনি নিয়ে। জোয়ারের মতো অনিবার্য, প্লাবন হয়ে আমরা ঠিক তোমাদের দরজায় এসে তবেই থামব। ~ইয়াহিয়া وَ ذَكِّرۡهُمۡ بِاَیّٰىمِ اللّٰهِ ؕ এবং আল্লাহর দিবসসমূহ* তাদের স্মরণ করিয়ে দাও সূরাঃ ইবরাহীম, আয়াত ৫

  • আগামীকাল থেকে টানা ৩ দিন এক সুবর্ণ সুযোগ সাওম (রোজা) পালন করে অধিক নেকি হাসিলের - ▪️১৩ রবিউল সানী (৬ অক্টোবর) সোমবার - আইয়্যামে বীদ্ব ▪️১৪ রবিউল সানী (৭ অক্টোবর) মঙ্গলবার - আইয়্যামে বীদ্ব ▪️১৫ রবিউল সানী (৮ অক্টোবর) বুধবার - আইয়্যামে বীদ্ব ১) রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, প্রতি চন্দ্র মাসের (আরবী মাসের) ১৩, ১৪, ১৫ তারিখের রোজা সারা বছর রোজা রাখার সমতুল্য। (আবু দাউদ, ২৪৪৯) অর্থাৎ, এই ৩ দিনের রোজার সওয়াব = ১ বছর নফল রোজা রাখার সওয়াব। ২) আবু হুরায়রা (রদি.) বলেন, আল্লাহর রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আমলসমূহ পেশ করা হয়। আমার পছন্দ, আমার আমল যেন পেশ করা হয় আমি সাওমরত অবস্থায়। [জামে তিরমিযী, হাদীস ৭৪৭] ৩) আইশা (রদি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোযার প্রতি বেশি খেয়াল রাখতেন। [ইবনু মাজাহ, ১৭৩৯] নিয়্যাত করে ফেলি সকলে ইনশাআল্লাহ।

  • উফ, জাস্ট আগু.ন। ইসলাম বিদ্বেষীদের যমদূত।

  • উমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেনঃ "তোমরা মুশরিকদের উপাসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করো না। কারণ সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হতে থাকে।" আস-সুনানুল কুবরা, বাইহাকি রহ. হাদিস নংঃ ১৮৮৬১

  • ...আর প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, কেননা তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। সূরাঃ সোয়াদ, আয়াত ২৬

  • আর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে আমি তো তোমাকে তাদের রক্ষক হিসেবে পাঠাইনি। বাণী পৌঁছে দেয়াই তোমার দায়িত্ব। আর আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই তখন সে খুশি হয়। আর যখন তাদের কৃতকর্মের জন্য তাদের উপর কোন বিপদ আসে তখন মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ হয়। সূরাঃ আশ-শূরা, আয়াতঃ ৪৮

  • ‘আমার কাছেই সব জিনিসের ভান্ডার রয়েছে এবং আমি তা নির্দিষ্ট পরিমাণেই পাঠিয়ে থাকি।’ সুরা আল-হিজর, আয়াত ২১

  • আজকের আকাশটা কেও লক্ষ্য করেছেন? তিনি সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে সপ্তাকাশ। দয়াময় আল্লাহর সৃষ্টিতে তুমি কোন খুঁত দেখতে পাবেনা; আবার দেখ, কোন ত্রুটি দেখতে পাও কি? অতঃপর তুমি বারবার দৃষ্টি ফিরাও, সেই দৃষ্টি ব্যর্থ ও ক্লান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। সূরাঃ আল-মুলক, আয়াত ৩-৪

  • যারা দখল করতে আসবে তাদের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা। সুন্দর দৃশ্য না?

  • কুরআনুল কারিমের বহুল ব্যবহৃত একটি আয়াত- لَاۤ اِكْرَاهَ فِی الدِّیْنِ দীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। কুরআনের এই আয়াত ব্যবহার করে অনেকে টলারেন্সের দর্শনকে ইসলামি দর্শন প্রমাণ করতে চায়। ব্যাপক অর্থে তারা বুঝাতে চায় যে দীনের যেকোনো ব্যাপারে জোরজবরদস্তি করা নিষেধ। এটা সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা। কারণ এই ব্যাখ্যা মেনে নিলে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের সকল বিধান অনর্থক হয়ে পড়ে। এখন যদি দুজন নারী পুরুষ মিলেমিশে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ায় এবং ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, তাহলে ইসলাম তাদের উপর হদ প্রয়োগ করতে পারে না। কারণ এটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এভাবে সমষ্টিগত জীবনের প্রতিটি বিধানই অকার্যকর হয়ে যাবে; যদি আয়াতের এমন ব্যাপক অর্থ নেওয়া হয়। তা ছাড়া কোনো মুফাসসির আয়াতটির এমন তাফসির করেননি। আয়াতের অর্থ হলো, কোনো মানুষের অন্তরে ঈমান প্রবেশ করানোর ক্ষমতা আল্লাহ ছাড়া কারো নেই। এই ক্ষেত্রে জোরজবরদস্তি অর্থহীন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, কারো উপর ধর্মীয় বিধিনিষেধ ও বাধ্যবাধকতা আরোপ করা যাবে না। বরং যার জন্য যেই বিধান ও বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য, তা তার উপর যথাযথভাবে প্রয়োগ হবে। যে মুসলিম না, তার উপর ইসলামি শরীয়তের বিধান আরোপিত হবে না। কিন্তু মুসলিমদের উপর শরীয়তের বিধান নানাক্ষেত্রে আরোপিত হবে। মোটিভেশান, দাওয়াহ ও তাযকিয়ার আয়োজনের পাশাপাশি- -পরিবার তার অধিনস্থদের উপর দায়িত্ব হিসেবে শরীয়ত আরোপিত করার অধিকার রাখে। -মুসলিম সমাজ তাদের সোসাইটিতে মুসলিমদের জন্য শরীয়তের বিভিন্ন বাধ্যবাধকতা আরোপ করার অধিকার রাখে। - এমনিভাবে ইসলামী রাষ্ট্রও মুসলিম জনগণের উপর শরীয়তের বিভিন্ন বিধান আরোপ করার অথোরিটি রাখে। মূলত ইসলামে সব ধরনের জবরদস্তি নিষিদ্ধ নয়। বরং যেই জবরদস্তি শরিয়তে নেই, তাকেই কেবল ইসলাম নাকচ করে। আল্লামা শাতেবি রহিমাহুল্লাহ বলেন, আয়াতটি অবতীর্ণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য, যে শরিয়তবহির্ভূত পন্থায় জবরদস্তি করে। যেমন, কেউ কোনো পুরুষকে চাপ দিল তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ব্যাপারে (এটা নিষিদ্ধ)। তবে যখন শরিয়তের নির্দেশিত পন্থায় জবরদস্তি করা হবে তা অবশ্যই গ্রাহ্য হবে। ( আল ইতিসাম, ৩৭০ পৃষ্ঠা) আর এতে বিচলিত বা হীনমন্য হওয়ার কিছু নেই। সেকুলার রাষ্ট্রও তার নাগরিকদের উপর বিভিন্ন চিন্তা ও বিধান চাপিয়ে দেয়। এটা যেকোন মতবাদেরও চরিত্র। বরং সেকুলার মতবাদের এই চরিত্র আরো বিধ্বংসী ও বিস্তৃত। ইসলাম অমুসলিমদের উপর তার সমস্ত বিধান চাপিয়ে দেয় না। কিন্তু সেকুলার ধর্ম যে সেকুলারজমে বিশ্বাস করে না বা করতে চায় না, তার উপরও সমস্ত কিছু চাপিয়ে দিতে চায়। এমনকি না মানলে তার রক্তকে হালাল করে ফেলে। তার উপর যেকোন নৃশংসতাকে বৈধ বানিয়ে দেয়। তাই আমাদেরকে ইসলামের অবস্থানের ব্যাপারে কৈফিয়তবাদী ও হীনমন্য আচরণ বন্ধ করতে হবে। বরং সেকুলার সন্ত্রাস ও উগ্রতাকে প্রশ্ন করা শিখতে হবে। হিউম্যান বিয়িং বই থেকে পরিমার্জিত

  • без подписи

  • রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমু'আহর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার ঈমানের নূর এক জুমু'আহ থেকে অন্য জুমু'আহ পর্যন্ত বিচ্ছুরিত হতে থাকবে। [সহিহ আত-তারগীব, হাদিস ৭৩৬]

  • তারা কি আল্লাহর কৌশল থেকে নিরাপদ হয়ে গিয়েছে? বস্তুত ক্ষতিগ্রস্ত কওম ছাড়া আল্লাহর কৌশল থেকে আর কেউ (নিজদেরকে) নিরাপদ মনে করে না। সূরাঃ আল-আ'রাফ, আয়াত ৯৯ এখানে মূল শব্দ হচ্ছে مكر-এর অর্থ এমন গুপ্ত কৌশল, যার উদ্দেশ্য যার বিরুদ্ধে তা প্রয়োগ করা হয় সে বুঝতে পারে না। আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে এমন কৌশলের অর্থ হচ্ছে, তিনি মানুষকে তাদের পাপাচার সত্ত্বেও দুনিয়ায় বাহ্যিক সুখণ্ডসাচ্ছন্দ্য দিয়ে থাকেন, যার উদ্দেশ্য হয় তাদেরকে ঢিল ও অবকাশ দেওয়া। তারা যখন সেই অবকাশের ভেতর উপর্যুপরি পাপাচার করেই যেতে থাকে, তখন এক পর্যায়ে আকস্মিকভাবে তাদেরকে পাকড়াও করা হয়। সুতরাং সুখণ্ডসাচ্ছন্দ্যের ভেতরও নিজ আমল সম্পর্কে মানুষের গাফেল থাকা উচিত নয়। বরং সর্বদা আত্মসংশোধনে যত্নবান থাকা চাই। অন্তরে এই ভীতি জাগরুক রাখা চাই যে, সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হলে এই সুখণ্ডসাচ্ছন্দ্য আমার জন্য আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে প্রদত্ত ঢিল ও অবকাশও হতে পারে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে নিজ আশ্রয়ে রাখুন।

  • ভারতের টিভি শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ তে ৫ কোটি রুপি জিতেছিল সুশীল কুমার নামে একজন। সুশীল কুমার ভারতের বিহারের খুবই সাধারণ একজন মানুষ। অতি সাধারণ পরিবার, আর দশটা সাধারণ ভারতীয়র মতো আইএএস (আমাদের বিসিএস এর মতো) এর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, বিয়েও করেছিল। এই সাধারণ মানুষটার জীবন পুরো পাল্টে যায় সেই ৫ কোটি রুপি জয়ের পর। হুট করে একদিন সে যেন হিরো হয়ে গেল। মিডিয়া সারাদিন লেগে থাকত তার পিছে। ৫ কোটি রুপির কারণে চারপাশে মানুষের ভিড় লেগে থাকত। মাসে ১০-১৫টি অনুষ্ঠানে তাকে প্রধান অতিথি করে নিয়ে যাওয়া হতো। নানান মানুষ এসে তাকে বিভিন্ন জায়গায় ইনভেস্ট করার বুদ্ধি দিতে থাকল। সুশীল ভাবল, এখানেই থেমে থাকলে চলবে না, আরও টাকা চাই, আরও বড়লোক হতে হবে। এরপর সে আরও বড়লোক হওয়ার আশায় ব্যবসা করার জন্য দিল্লি চলে এলো। হাতে টাকা, চারপাশে লোক জমতে সময় নিল না। নানান মানুষের সাথে মিশতে মিশতে সুশীল ধুমপান, নেশা শুরু করল। রঙিন দুনিয়ায় ভাসতে থাকা সুশীলকে কিছু সুযোগসন্ধানী বুদ্ধি দিল ছবি বানানোর। এরপর তার মাথায় ছবি বানানোর ভূত চাপল। ছবি প্রযোজনা করার নিয়তে সে মুম্বাই এলো। সেখানেও সুবিধা করতে পারল না। এদিকে রঙিন দুনিয়ায় হাবুডুবু খাওয়া সুশীলের পরিবার ভাঙতে বসেছে। স্ত্রী সুশীলের এই পাল্টে যাওয়া মেনে নিতে পারেনি। যেসব জায়গায় টাকা ইনভেস্ট করেছিল, প্রায় সবখানেই সে মার খেল। তারপরও তার আশেপাশে দুধের মাছিরা ভনভন করেই যাচ্ছে। তাই একসময় সবকিছু হারিয়ে সুশীল বলতে বাধ্য হলো, তার সব টাকা শেষ, এখন দুটো গরু কিনে তার দুধ বেচে তার সংসার চলে। এরপর মানুষ তার কাছ থেকে সরে যেতে থাকে। সুশীলের অতি সাধারণ জীবনটা তছনছ হয়ে গেল। টাকাপয়সা হারিয়ে নিঃস্ব হলো, নেশা ধরল, সাজানো সংসারটাও ভেঙে যাওয়ার পথে। সুশীল কুমারের এই ঘটনা থেকে একটা গল্পের কথা মনে পড়ল। এই গল্পের যদিও অনেকগুলো ভার্সন আছে, তার একটা ভার্সন অনেকটা এরকম—একবার এক লোক নদীর ধারে বসে বড়শিতে মাছ ধরছিল। বিকেলবেলা, চারদিকে হু হু বাতাস, নদীর পার, সবমিলিয়ে খুব শান্ত পরিবেশ। এই পরিবেশে ঐ লোকের ঘুম চলে এলো। সে নদীতে বড়শি ফেলে আরাম করে নদীর পারে ঘুমোতে লাগল। এরমধ্যে নদী দিয়ে একটা ট্রলার যাচ্ছিল, সেখানে এক বিদেশি ছিল। বিদেশি দেখল নদীর পারে এক ব্যক্তি কী আরাম করে ঘুমোচ্ছে! সে চিন্তাও করতে পারছে না, এরকম জায়গায় কেউ এত নিশ্চিন্তে, এত প্রশান্ত হয়ে ঘুমোতে পারে! সে ট্রলার থামিয়ে ঐ ব্যক্তির কাছে গিয়ে তাকে ঘুম থেকে ওঠাল। জিজ্ঞেস করল, সে এখানে কী করছে! লোকটি বলল, বড়শি দিয়ে মাছ ধরছিল, এরমধ্যে ঘুমিয়ে পড়েছে। বিদেশি বলল, সে বড়শি দিয়ে কেন মাছ ধরছে, বড়শি দিয়ে কয়টা মাছই আর পাওয়া যাবে! তার উচিত বড় জাল কিনে সেই জাল দিয়ে নদীতে মাছ ধরা। লোকটি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, —বড় জাল দিয়ে মাছ ধরলে কী হবে? —বিদেশি বলল, তাহলে অনেক মাছ পাবে। —অনেক মাছ পেলে কী হবে? —অনেক মাছ পেলে সেগুলো বিক্রি করে অনেক টাকা পাবে। —অনেক টাকা পেলে কী হবে? —অনেক টাকা পেলে সেই টাকা দিয়ে যা খুশি তা কিনতে পারবে। —যা খুশি তা কিনতে পারলে কী হবে? —তাহলে সুখ পাবে, আনন্দ পাবে। লোকটি বিরক্ত হয়ে বলল, আরে হারামজাদা! আমি তো এতক্ষণ সুখেই ছিলাম, আনন্দে ছিলাম। কত আনন্দ নিয়ে মাছ ধরছিলাম, আরাম করে ঘুমোচ্ছিলাম। তুই ব্যাটা এসে আমার আরামের ঘুমটা ভেঙে দিলি। তুই যে সুখের কথা এত ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলছিস, সেটা অলরেডি আমার কাছে আছে। সবকিছু হারিয়ে, সহজ সরল জীবনটা তছনছ করে সুশীল কুমার আবারও তার গ্রামে ফিরে আসে। আবার পড়াশোনা শুরু করে। সংসারে মন দেয়। এই কিছু সময়ের অভিজ্ঞতায় সুশীল জানায়, জীবনে যার যতটুকু আছে, সেটুকু নিয়ে সুখে থাকতে পারাটাই আসল। আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, “প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে গাফেল করে রাখে, যতক্ষণ না তোমরা কবরে পৌঁছে যাও।” (সূরাহ তাকাসুর, ১০২: ১-২) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি কোনো মানুষের এক উপত্যকা ভরা স্বর্ণ থাকে, তবে সে তার জন্য দুটি উপত্যকা (ভর্তি স্বর্ণ) হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করে। তার মুখ মাটি ছাড়া (মৃত্যু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত) আর কিছুতেই ভরে না। আর যে ব্যক্তি তাওবা করে, আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন।” (মুসলিম, যাকাত অধ্যায়, হাদিস নং : ২৩০৫) এই দুনিয়ায় কারও পক্ষেই সত্যিকারের সুখের সন্ধান পাওয়া সম্ভব নয়। এখানে বড়জোর প্রতিযোগিতা করা যায়, দুনিয়ার পেছনে ছুটে সময়টা নষ্ট করা যায়। আমাদের আলটিমেট লক্ষ্য হলো দুনিয়ার সময়টাকে কাজে লাগিয়ে জান্নাত পর্যন্ত পৌঁছতে পারা। এই লক্ষ্যে যারা স্থির থাকতে পারে, তাদের অন্তরে এমনিতেই প্রশান্তি চলে আসে। আল্লাহ আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন

  • без подписи

  • প্রতিবার যখন দুনিয়া কেঁপে ওঠে, তখন এটা কেবলই একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আসে না। বরং এটা আসে এক ধরনের সতর্কবার্তা হয়ে। আল্লাহ ﷻ আমাদের বলেন— وَمَا نُرْسِلُ بِالآيَاتِ إِلَّا تَخْوِيفًا অর্থ: “আমি কেবল ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই নিদর্শনসমূহ পাঠাই।” (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:৫৯) রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَكْثُرَ الزَّلَازِلُ অর্থ: “কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতোক্ষণ না ভূমিকম্প বৃদ্ধি পায়।” (সহীহ আল বুখারী, ৭১২১) . এরকম ভূমিকম্পের মুখোমুখি হলে আমরা অনেকেই পোস্ট স্ক্রল করে কিংবা হাসাহাসি অথবা শুধুই পোস্ট করে বিষয়টা পাশ কাটিয়ে যাই। অথচ এগুলোর বদলে আমাদের উচিত— • তাওবার দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া। • বেশি বেশি ইস্তিগফার করা। • আমাদের এই জীবন কতোটা ঠুনকো, সেটা উপলব্ধি করা এবং • আখিরাতের জন্য প্রস্তুত হওয়া। . নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন: যদি আজ হঠাৎ ভূমিকম্পে আমি মারা যাই, তবে আমি কি আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত? . আমরা যেন খুব বেশি দেরি হয়ে যাবার আগেই আল্লাহর সাথে আমাদের সম্পর্কটা ঠিক করে নিই। -সংগৃহিত