🏹Save Muslim Ummah ⚔️🇸🇦🛠️
Статистика- Последний пост
- 15 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 54
- Всего постов
- 90
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 22
- 1/48двое суток
- 25
- 1/72трое суток
- 27
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
মানুষটা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে ডুকরে কাঁদছেন। একজন পুরুষ মানুষ তীব্র দাবদাহ সহ্য করতে না পেরে শিশুর মতো কাঁদছেন! ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা! মাথার উপর ছায়া দেওয়ার মতো একটা গাছও নেই। সমুদ্রতীরের কড়া রোদে প্লাস্টিকের তাবুগুলো এক একটি জ্বলন্ত চুল্লিতে পরিণত হয়। সেই ফুটন্ত চুল্লির ভেতর আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সবাই যেন সিদ্ধ হতে থাকেন প্রেশারকুকারে মাংস সিদ্ধ হওয়ার মতন। তৃষ্ণায় বুকের ছাতি ফেটে যাওয়ার উপক্রম, অথচ পর্যাপ্ত পানি নেই। সামনে প্লাস্টিকের একটা মাত্র গ্যালন রাখা, অপলক চোখে সেটার দিকে তাকিয়ে ভাবতে হয় -- এইটুকু পানি শেষ হয়ে গেলে বাকি দিনটা কীভাবে পার হবে? কারবালার মরুপ্রান্তর থেকে হাশরের মাঠ,তাঁরা যেন এক জীবনেই তার সবকিছু অতিক্রম করছেন। আমি আর আপনি তা কখনোই অনুধাবন করতে পারব না। মাথার ওপর ছাদ, ফ্রিজে বরফ-শীতল পানি, আরও যদি থাকে এসি-ঘর। আমরা বুঝব না আসলে,গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাওয়া কারো ইচ্ছেমতো পানি পান করতে না পারার কষ্ট! আমরা ওদের কোন কষ্ট কল্পনাও করতে পারবো না!
হয় রংপুরের মু.সলিম ভIইয়েরা সবIই কIপুরুষ হয়ে গেছে, নাহয় রংপুরের এই মIলI’উনরI মু.সলিমদের থেকে বেশি পIওয়Iরফুল হয়ে গেছে। তাইতো ভIগওয়I লIভ ট্র্যIপ নিয়ে পোস্ট করার কারণে এই মIলI’উন প্রকIশ্যে মু.সলিমদেরকে এভাবে গIলIগIলি করIর সIহস পIচ্ছে। বিষয়টা রংপুরের মু.সলিমদের হIতে ছেড়ে দিলIম, দেখি তারা কি করে। মIলI’উনের আইডি লিংক: https://www.facebook.com/share/1DDALzwB77/
বাংলাদেশে পাহাড়িদের দুই গ্রুপ। এক গ্রুপ এসেছে চায়না থেকে হাজার বছর আগে। এদের চেনার উপায় হল যে, এদের মূল অবস্থান মূলত ভারতে, এবং এদের নামে প্রদেশও আছে। যেমন ত্রিপুরা, মনিপুর, নাগা, মিজু। এরা একে অপরের কাজিন গোত্র। হাজার বছর আগে চীনে বন্যা, নদী ভাঙনের কারণে এরা নদী পথে এ অঞ্চলগুলোতে আসে। এগুলো এখনো তাদের নিজস্ব নথিগুলোতে লেখা আছে। এবং এরা একটু নরম প্রকৃতির। এরা প্রকৃতি পূজা করে। কিন্তু এখন আবার বড় একটা অংশ খ্রিষ্টান হয়ে যাচ্ছে। আরেক গ্রুপ হল, যারা থাইল্যান্ড, মিয়ানমার এর পূর্ব অংশ থেকে এসেছে ১০০ বা ২০০ বছর পূর্বে। যেমন চাকমা। এরা একটু কঠোর। যেহেতু প্রথম প্রকার পাহাড়িরা অনেক দিন ধরে এখানে অবস্থান করছে, তাদের মধ্যে একটা নম্রতা এসেছে। কিন্তু থাইল্যান্ড থেকে আগত পাহড়িরা প্রতিনিয়ত কর্কশ লাইফ স্টাইল লিড করে আসতে হয়েছিল। বিষয়টা তাদের আচরণ এবং খাদ্যাভ্যাস খেয়াল করে আমার দুই টাইপের পার্থক্যটা বুঝতে পারবো। এরা মূলত জাতিতে বৌদ্ধ। কিন্তু এখন আবার খ্রিষ্টান হয়ে যাচ্ছে অনেকেই। এই দুই দলের চেহারায়ও অনেক পার্থক্য। ওরা নিজেরা নিজেদের বুঝতে পারে। আমিও কিছুটা ধরতে পারি যে, কোন টাইপ। তবে প্রথম প্রকারের সাথে বাঙালিদের মিক্সচার হয়েছে, বিশেষ করে যারা ত্রিপুরা। এজন্য কুমিল্লা, বিবাড়িয়া, ফেনীর অনেক বাঙালীদের মধ্যে সেই ধাচটা দেখতে পাবেন, কারণ পূর্বে হয়ত যারা মুসলিম হয়েছিল, তাদের সাথে বাঙালীদের বিয়ে-শাদি হয়েছিল। কুমিল্লা আর ত্রিপুরা তো একটা সময় একই অঞ্চল ছিল। এমনকি কুমিল্লা শব্দটাও ত্রিপুরা ককবরক ভাষার। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল যে, এই দুই গ্রুপের মধ্যে প্রথম গ্রুপ আমাদের প্রতি নরম। কারণ তাদের মূল অংশটা ভারতের। এবং তারা স্বাধীনতা চায়। তো তারা এদেশের এসে তাদের জাতির লোকদের সাথেই মিশে থাকে। অপরদিকে দ্বিতীয় গ্রুপটা ভারত-বাংলাদেশ উভয় দিকেই আছে। এদের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভারত সাপোর্ট দেয়। প্রথম গ্রুপকে দেয় না, কারণ তারা ভারতের শত্রু। তাই আমাদের এখানে চিন্তার বিষয় আছে। ভালো করে খেয়াল করেন, ত্রিপুরাদের ভারত সাহায্য করে না। তাই, তারা আমাদের ডিরেক্ট মিত্র। আর চাকমা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভারত সাহায্য করে। তাই তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আমাদের শত্রু। আবার এদিকে কুকিচিন ভারত-বাংলাদেশ উভয়ের জন্যই বড় হুমকি। এবং এদের একটা পক্ষ আরেকটা পক্ষকে দেখতে পারে না। প্রথমপক্ষটা একটু নরম হওয়ার দ্বিতীয় পক্ষটা তাদের উপর ছড়ি ঘুরায়। এমনকি উপজাতি কোটার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা তারা বেশী পায়। বিশেষ করে চাকমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল, যেটার নাম শান্তি বাহিনী, এটা থাকায়, তাদের বেশী তোয়াজ করতে হয়, যেটা ত্রিপুরাদের করতে হয় না। এসব তথ্য বাংলাদেশের বেশীরভাগ মানুষই জানে না। বা এতটা কেয়ার করে না। শাহবাগীরা তো এমনিতেই নির্বোধ। এমনকি ইসলামপন্থীরাও জানে না। যা জানে, সেটা হয় এজেন্সির কিছু পলিসি মেকাররা। কিন্তু আমার মনে হয়েছে যে, হাসিনার আমলের এজেন্সির লোকেরাও নির্বোধ। এমনকি আর্মিও অনেক সময় ফারাক করতে পারে না এক্সিকিউশন লেভেলে। যেমন চাকামারা গ্যাঞ্জাম করে ত্রিপুরা গ্রামে পালায়। আর্মি তো আর বুঝে না যে কে কোনটা। দেয় ধুমায়া ত্রিপুরাদের সাইজ। ওরা বলে, আমগো কি দোষ! কিন্তু দুঃখ করা ছাড়া কিছু করার থাকে না। কয়েক বছর আগে চাকমা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আর্মি মেরে ফেলসিলো, মনে আছে আপনাদের? ত্রিপুরার একজন বলে যে, ভাই! ভারত যেমনে চাকমাদের ব্যাকিং দেয়, বাংলাদেশ যদি এমনে আমাদের ব্যাকিং দিত - আমার ভারতের নর্থ-ইস্ট তামা তামা কইরা ফেলতে পারতাম। হ্যাঁ! আর্মি শান্তি বাহিনীদের মধ্যে গ্রুপিং করানো, তাদের মধ্যে লোভীদের কিনে ফেলা থেকে শুরু করে, অনেক প্রশংসনীয় কাজ করেছিল - এ কারণে এদের একটু নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল। কিন্তু এর চেয়েও ভালো কাজ সম্ভব- জাস্ট এই দুই গ্রুপকে আলাদাভাবে ট্রিট করতে হবে। মিশনারীদের বদলে সেখানে মুসলিমদের দাওয়াহ কাজ ফুল ইফোর্টে করতে দিতে হবে। আমাদের আসলে দাওয়াহ, কনভার্ট-রিভার্ট করতে চাই, বলতে লজ্জা পাওয়া উচিত না। পশ্চিমারা ঘোষণা দিয়ে এসে কনভার্ট করছে এখানে। এদিকে আমরা লজ্জা পাচ্ছি যে, আমরা কনভার্ট-রিভার্ট করতে গেলে মৌলবাদী বলবে, এই বলবে, সেই বলবে। সরকারকে প্রেশার দিতে হবে যে, পাহাড়ি এবং রোহিঙ্গাদের এনজিওদের হাতে ছেড়ে দেয়া যাবে না। খুব বড় রকমের ঝামেলার তারা তৈরি করে যাচ্ছে। অথচ আমার মুসলিমরা বাঁধাগুলো কাটিয়ে ওইদিকে নযর দিতে হবে, বাঁধা পেলেই মুখ ফিরিয়ে নেয়া যাবে না। ফিকির এবং লেগে থাকতে হবে। একটা অংশকে আত্মনিয়োগ করতেই হবে। তারা দ্বীনের দাওয়াহ না পেলে, আমরা কি জাবাব দিবো? অথচ আমাদের পাশেই ছিল। শাহ-জালালরা কোত্থেকে এসে কি করে গেছেন, অথচ আমরা পাশে থেকেও কিছু করতে পারছি না। ©Bearded Bengali