Mohammed Touaha Akbar (মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর)
СтатистикаMy thoughts to help you In-shaa-Allah. May Allah accept it from all of us.
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 3
- Всего постов
- 23
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 181
- 1/48двое суток
- 207
- 1/72трое суток
- 223
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
без подписи
без подписи
There is no peace till you enter Jannah.
খুবই ভয়ংকর একটা জীবাণু পাওয়া গেছে মারিয়ামের শরীরে। আলহামদুলিল্লাহ, পাওয়া নাও যেতে পারতো। তখন আমরা কী করতাম? সেই জীবাণুর বিরুদ্ধে মাত্র তিনটা এন্টিবায়োটিক কাজ করে, বাকিগুলো কাজ করে না। এন্টিবায়োটিকগুলোও মিলিয়ে দিয়েছেন আল্লাহ সাথে সাথেই। এটাও তো উনার বিরাট রহমত! যদি না থাকতো ওষুধগুলো! কী করতে পারতাম! এন্টিবায়োটিক এপ্লাই করা শুরু হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। মারিয়ামের শরীর রেস্পন্স করেছে একটু আল্লাহর দয়ায়, আলহামদুলিল্লাহ। রেস্পন্স না করলে আমাদের কিছুই করার ছিলো না। এন্টিবায়োটিকটা শেষ পর্যন্ত কাজ করে যাবে কিনা, মারিয়াম সুস্থ হয়ে কোনোদিন তার মা-বাবার কাছে আসবে কিনা, এটাও পুরোপুরি আমার রব্বের নিয়ন্ত্রণে। আলহামদুলিল্লাহ। আমার এই রব্বের কাছেই আপনারা কেউ কেউ দিনরাত একটানা দুয়া করে গেছেন, এমনকি এখনো করছেন। আপনাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। যারা সবকিছু নিয়ে পাশে এসে দিনরাত থেকেছেন, দৌড়েছেন, আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার রব্ব যেন আপনাদের প্রত্যেকের পরিবারকে পূর্ণ সুস্থতা এবং নিরাপত্তা দান করেন দুই জীবনেই। আল্লাহ যেন পৃথিবীর প্রতিটা শিশুকে, প্রতিটা অসুস্থ মানুষকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করেন। আ-মীন। আলহামদুলিল্লাহ, এই যে মারিয়ামের জন্য আপনাদের সাহায্য আর আন্তরিক মুনাজাতে আল্লাহ সাড়া দিয়েছেন, এর হামদ আমি করে শেষ করতে পারবো না কোনোদিন। আবারও তাই লোভ আর স্পর্ধা নিয়ে অনুনয় করছি, যদি আমার বাবুটার কথা আপনার ভুলেও মনে পড়ে যায়, তাহলে প্লিজ রব্বের দরবারে আন্তরিকভাবে দুয়া করবেন ওর জন্য। আমার মারিয়াম বাবুটা ভালো নেই। এখনো বিপদের মধ্যেই আছে ও। একা একা, এই পাখির মতো ছোট্ট অসহায় একটা শরীর নিয়ে মা-বাবার সান্নিধ্য আর আদর ছাড়াই এই কঠিন পৃথিবীতে সে দুইটা সপ্তাহ পার করেছে, এটা ভাবলেই... ইন-শা-আল্লাহ, আপনাদের দুয়ায় আর আমার রব্বের দয়ায় সে এমন সুস্থতা লাভ করে ঘরে আসবে, যার পরে আর কোনো অসুস্থতা অবশিষ্ট থাকে না।
без подписи
ছোটবেলায় টিভিতে বক্সিং খেলা দেখতাম। খেলার মাঝখানে জিরিয়ে নেয়ার জন্য একটু ফুরসৎ, তারপরেই আবার মাইর। মারতে মারতে... জীবনে আমাদেরকেও এভাবে একটু নিঃশ্বাস নেবার সুযোগ দেয়া হয় দয়া করে। তখনই আমরা ভুলে যাই যে... আসলেই আমরা জালিম-জাহিল। নিজেকেই নিজে দিনরাত লাথি দেওয়ার কোনো সুযোগ আর অনুমতি থাকলে...
কলেজে পড়ার সময়ে গণিতের প্রচুর সূত্র জানা লাগসে। মাথায় রাখা লাগসে সব। একেকটা প্রব্লেম সলভ করতে গেলে, সবগুলো সূত্র থেকে বেছে বেছে যথাযথ সূত্রগুলো এপ্লাই করে করে কাংখিত সমাধানে পৌছানোর চেষ্টা করা লাগসে। এরপরে, ধৈর্যের সাথে প্রতিটা স্টেপ ঠান্ডা মাথায় সঠিকভাবে করতে পারলেই কেবল মিলতো আরাধ্য সমাধান। আর বুকের ভেতর বেজে উঠতো ছলছল আনন্দের কলধ্বনি। তোমার জীবনের প্রতিটা ঘটনা, প্রতিটা অনুভূতি আল্লাহই সৃষ্টি করেন। প্রতিটা ঘটনা আর অনুভূতিই তোমার জন্য আল্লাহকে আরো ভালভাবে চিনবার, তাওহীদকে আরো তীব্রভাবে এক্সপেরিয়েন্স করবার সূবর্ণ সুযোগ নিয়ে আসে। এখানে প্রতিটা ঘটনাই আসলে একেকটা ম্যাথ প্রব্লেমের মতোন, যেটা ঠান্ডা মাথায় সমাধান করে করে তাওহীদের একেকটা অংশে পৌছানোর কথা। তাওহীদের একেকটা মাত্রা আর একেকটা এঙ্গেলের বাস্তব অভিজ্ঞতা পাবার কথা। আর ঠিক এই কারণেই, নিজে গাইডেড থাকার জন্যই, তোমার মাথায় পুরো কুরআন থাকাটা খুব বেশি জরুরী। পুরো সীরাত ও সংশ্লিষ্ট হাদীসগুলো জানা থাকাটা জরুরী। জরুরী ইসলামের ফরজ জ্ঞানগুলো একাডেমিক্যালি উলামায়ে কিরাম থেকে ধাপে ধাপে 'বুঝে' নেয়া। এখন তোমার মাথায় যদি এগুলো সব একসাথে সঠিকভাবে গুছানো না থাকে, উসূলগুলো যদি না জানো, তুমি বুঝবাই না যে, তোমার চিন্তার কোন সূত্রটা এপ্লাই করা ভুল, কোন সমাধানটা কুরআন সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক। এই না জানার ফলে, তুমি ভুল চিন্তা করে করে, বারবার ভুল সমাধানে পৌছাবা। কিন্তু সেটা ধরতেই পারবা না। এরোগ্যান্স তোমাকে আগাপাশতলা গ্রাস করে ফেলবে, অথচ তুমি মনে করবা যে, তুমিই হচ্ছো বিনয়ের সর্বশেষ অবতার! কিন্তু যদি তোমার জানা থাকে সব, এপ্লাই করতে থাকো যথাসাধ্য মনোযোগ আর তীক্ষ্ম ধৈর্য দিয়ে, জীবনের প্রতিটা অংক কষতে থাকো বছরের পর বছর ধরে, হাল যদি না ছাড়ো, আর সত্যকে আরেকটু গভীরভাবে বুঝার, উপলব্ধি করার চেষ্টা করতে থাকো, তাহলে তোমার অন্তরে এমন সব সমাধান উদ্ভাসিত হবে যে, তুমি নিজেই টের পাবা, এতো বছরের না বুঝা টেক্সটগুলোর ভিতরে যে কতশত মূল্যবান রত্ন লুকিয়ে ছিলো! এই মূল্যবান রত্নগুলো তুমি বইতে পাবা না, লেকচারে পাবা না, পাবা শুধু তোমার জীবনখাতার অংকের পাতায়। নিজের হৃদয়ের গভীরতম কন্দরে। ফলে, যত বিপদ আর ঝড়ঝাপ্টাই আসুক না কেন, তোমার রব্ব ঠিকই তোমাকে সেই ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে বসিয়ে প্রশান্ত করে দেবেন নিজ দয়ায়। ঠিক তখনই জীবন অনলে দাউদাউ করে জ্বলতে জ্বলতে, জলভরা চোখ আর বুকভরা ব্যথা নিয়ে তোমার হয়তো মনে পড়ে যাবে সেই বিখ্যাত লাইন- "আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুস্পের হাসি!"
যে বিপদ ভেঙেচুরে ভেতরটাকে তছনছ করে দেয়, সেটাও কিন্তু রব্বের বিরাট নিয়ামত, রহমত। হৃদয়টাকে আঘাতে আঘাতে গুড়ো গুড়ো করলে একটা লাভ আছে। এতে হৃদয়ের ভেতরের অন্ধকার ঘুপচিগুলো প্রকাশিত হয়ে পড়ে। ভেতরে হুড়মুড় করে এক ঝলমলে আলোর বন্যা ঢুকে পড়ে। সেই আলোতে এমন সব সত্যকে দেখতে পারা যায়, যা পুরো জীবনের ঈমান আর তাওহীদের বুঝকে খোলনলচে বদলে দেয়। এতো বছরের পড়ে আসা সব কাগজে আঁকা অক্ষরকথাগুলোর যে আরো কিছু গভীর ও সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ থাকতে পারে, সেটা বোধে উদয় হয় একের পর এক। নিজের রব্বকে চেনা যায়, আপন করে অনুভব করা যায় এমন ভয়ানকভাবে যে... এতো বছর ধরে না মেলা অংকের মিলে যাওয়া সমাধানটা তুমি বুঝিয়ে বলতেই পারো আরেকজনকে। সে মুগ্ধ, স্তম্ভিতও হতে পারে। কিন্তু আরেকজনের কাছ থেকে ধার করা বুলিটা শুনে শুনে আওড়ানো, আর নিজের হাতে কষা গণিত সমাধানের অভিজ্ঞতার মাঝখানে থাকে আকাশ-পাতাল ফারাক। তাই বলছিলাম কি, যে বিপদ ভেঙেচুরে ভেতরটাকে তছনছ করে দেয়, সেটাও রব্বের পক্ষ থেকে বিরাট এক নিয়ামত, রহমত। এটা যে দেখে, সে-ই জানে।
When Intellect Reaches Perfection, The Pleasure of The Worldly Life Is Lost. Consequently, the physical body diminishes, illness grows stronger, and grief intensifies. This is because whenever the intellect contemplates the ultimate outcomes, it turns away from the world and fixes its attention upon that which it has perceived. Thus, it finds no pleasure in anything of this immediate, fleeting life. Rather, pleasure is enjoyed only by those who are heedless of the Hereafter, whereas a person of perfected intellect possesses no heedlessness. For this reason, such a person is incapable of mixing with people, as they appear to be of an entirely different species than his own, just as the poet said: There is no brother of passion in these dwellings with whom we may share the discourse of Najd, Nor a true friend with whom we may run in stride. Ibn al-Jawzī رحمه الله Sayd al-Khātir, p. 378
পৃথিবীর প্রতিটা নিপীড়িত, অসুস্থ মানুষকে আল্লাহ সাহায্য করুন। মুক্ত করে দিন। অতিদ্রুত পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করুন। আ-মীন। আমার নবজাতক কন্যাটা খুব কষ্ট পাচ্ছে। আপনি হয়তো মানুষের জন্য সলাতে, দুয়াতে আন্তরিকভাবে ভিক্ষা করেন। আমার কন্যাসহ পৃথিবীর সব কষ্টে থাকা মানুষের জন্য একবার মন থেকে দুয়া করতে পারবেন? রাব্বের দরবারে আপনার অন্তর নিংড়ে আসা আকুতিভরা অন্তত একবার ভিক্ষা করাই যথেষ্ট হবে ইন-শা-আল্লাহ। অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য আন্তরিক দুয়া করলে, আল্লাহ কবুল করে নেন। করিয়েন, হ্যাঁ?
🤫
যারা বইটা পড়েছেন, তারা এত্তো বেশি এনজয় করবেন, কল্পনাও করিনি। চিন্তা করলাম, আপনাকেও গিফট দেবার দুঃসাহসটা করাই যায় এখন। বইটার শুরুতেই কিন্তু একটা চিঠি আছে আপনার জন্য। চিঠির কথাগুলো অনুভব করাটা খুব বেশি জরুরী। ইংরেজিতে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস থাকলে, আপনি এই জার্নিটা প্রচন্ডভাবে এক্সপেরিয়েন্স করবেন ইন-শা-আল্লাহ। উল্লেখ্য, বইটা মাত্র লেখা শুরু করেছি। শেষ হতে অনেক দেরী আছে। আর আমারও কোনো তাড়া নেই। So, start in His name and Enjoy!
без подписи
কিছু কাজ ঘুমাতে দেয় না। সিক্সথ চ্যাপ্টারটা ঠিক তা-ই করেছে আমার সাথে। একটু আগে আর নিতে পারছিলাম না। রাত আর সকালের একটানা পড়া আর লেখার চোটে শরীর ভেঙ্গে আসছিলো ঘুমে। এরপরেও চ্যাপ্টারের পুরোটা শেষ না করে উঠতে পারিনি। যে-ই শেষ হলো অধ্যায়টা, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি, সকাল দশটা। এখুনই ফ্রেশ হয়ে, রেডি হয়ে জবে যেতে হবে। কাপড়টা তাই টেনে নিলাম হ্যাঙ্গার থেকে। ওয়াশরুমে যাবো। তখনই দেখি একটা কল এলো। ফোনটা তুলে নিলাম। অফিস থেকে কল করেছে। রিসিভ করলাম। আর সাথে সাথেই গুড নিউজটা কানে তরঙ্গ তুললো। বললো, আজকে আমাদের অফিসে যেতে হবে না। এতো শুকরিয়া আর হামদ বেরিয়ে এলো বুক থেকে যে ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। দুয়া এমন এক জিনিস, এতোই পাওয়ারফুল যে... আমার জন্য যদি আপনি নিয়মিত দুয়া করে থাকেন, তাহলে আপনার প্রতি আমি স্পেশালি কৃতজ্ঞ। বাসায় বলছে, এখন আমার ঘুমানো উচিত। আমিও মুখে একই কথা বলছি। সত্যিই আমার ঘুমানো উচিত। অলরেডি সপ্তম অধ্যায় শুরু করে দেয়া এই ফাজিল মাথা আর আঙুলগুলোকে এখন কে এসে বুঝাতে পারবে যে, উচিত কাজটাই সবসময় করা উচিত?
без подписи
জুলাই নেমে আসুক বারবার, জনপদে জনপদে।
без подписи
без подписи
без подписи
ফাইনালি, ইংরেজিতে ফিকশান লেখা শুরু করলাম। ঘুম-টুম বাদ দিয়ে, নিজের আনন্দের জন্যই ফাটায়ে লিখলাম। ধুপ করে দেখি দুই চ্যাপ্টার লেখা শেষ। এর মাঝে পেরিয়ে গেছে টানা ১২টা ঘন্টা। শরীরের অবস্থা আর না বলি। আম্মু মাইর দেয়ার সম্ভাবনা আছে। ও হ্যাঁ, আমি আবিষ্কার করসি, আমার আমার পোস্টগুলা সব আম্মু পড়েন। কী লজ্জা! কী লজ্জা! ইংরেজিতে আমার বই আগে অনুবাদ হইসে। এডিটিং হইসে। যারা পড়সেন, তারা হয়তো জানেন যে, সেগুলার একটাও আমি করি নাই। অতএব, ইংরেজিতে এটাই আমার প্রথম চেষ্টা। যেহেতু ইংরেজিতে লিখতেসি, তার উপরে নিজের জন্য লিখতেসি, তাই মনের যতো আবেগ আর তীব্রতা সব ঢেলে দেয়ার ট্রাই করসি। নিজে কনভিন্স হওয়ার আগ পর্যন্ত ঘষামাজা ইত্যাদি... তো, শেষ করার পরে একজনকে সাহস করে পড়তে দিলাম। এতো সুন্দর একটা ফীডব্যাক আসছে যে, মনে হচ্ছে, "নাহ! আমি পারবো তো, ইন-শা-আল্লাহ!" তবে, নেক্সট আবার কবে লিখতে বসতে পারবো জানি না। আপাততঃ আম্মুর প্যাঁদানি এড়াতে পারলেই আজকের দিনটাকে সার্থক বলে গণ্য করা হবে। হেহেহেঃ