হানাফী ফিকহ (Hanafi Fiqh)
Статистикаহানাফী ফিকহ ফেসবুক গ্রুপের টেলিগ্রাম ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় মাসআলার নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম।
- Последний пост
- 9 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 1 945
- 1/48двое суток
- 2 228
- 1/72трое суток
- 2 404
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
ভিজিট করুন.. https://alpha.hanafifiqh.net/
সর্বশেষ কবে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করেছেন? খুব দ্রুতই ইনশাআল্লাহ আমাদের সাইটের প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করে দেব।
без подписи
без подписи
без подписи
স্বামীর পকেট থেকে না জানিয়ে টাকা নেওয়া যাবে? স্বামীর ওপর স্ত্রীর শরয়ী অধিকারসমূহ আদায় করা এবং তার ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা করা আবশ্যক। তবে যদি স্বামী স্ত্রীর ন্যায্য ভরণ-পোষণের দায়িত্ব পালন না করেন, তাহলে স্ত্রী নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বামীর সম্পদ থেকে পরিমাণমতো গ্রহণ করতে পারবেন। হাদীস শরীফে এসেছে, আয়েশা রাযি. বলেন, جاءت هندٌ إلى النَّبيِّ صلَّى اللَّهُ عليْهِ وسلَّم، فقالت: يا رسولَ اللَّهِ إنَّ أبا سفيانَ رجلٌ شحيحٌ، لا يعطيني ما يَكفيني وولَدي، إلَّا ما أخذتُ من مالِهِ، وَهوَ لا يعلَمُ، فقال: خُذي ما يَكفيكِ وولدَكِ بالمعروفِ. হযরত হিন্দ বিনতে উতবা রাযি. রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর খেদমতে এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আবু সুফিয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার ও আমার সন্তানের প্রয়োজন অনুযায়ী ভরণ-পোষণ দেন না। তাই আমি তার অজান্তে তার সম্পদ থেকে কিছু নিয়ে থাকি।” তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করলেন, “তুমি প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী (যতটুকু প্রয়োজন) তোমার ও তোমার সন্তানের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ নিয়ে নাও।” সহীহ বুখারী, হাদীস: ৩৮২৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১৭১৪। আর স্বামীর জন্য উত্তম ও নৈতিক দায়িত্ব হলো, ওয়াজিব ভরণ-পোষণের বাহিরেও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রীকে ব্যক্তিগত খরচের জন্য কিছু অর্থ প্রদান করা। তবে ওয়াজিব ভরণ-পোষণের বাইরে আলাদা হাতখরচ দেওয়া স্বামীর ওপর বাধ্যতামূলক নয়। সামর্থ্য থাকলে ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যবশত তা দেওয়া উত্তম; আর সামর্থ্য না থাকলে না দিলেও কোনো গুনাহ নেই। অন্যদিকে, ওয়াজিব ভরণ-পোষণের বাইরে স্ত্রীর জন্য স্বামীর অনুমতি ছাড়া তার সম্পদ থেকে অর্থ বা অন্য কিছু গ্রহণ করা বৈধ নয়। বরং তখন না জানিয়ে নিলে চুরি হিসেবে ধর্তব্য হবে। হযরত হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন— “স্ত্রীর আরেকটি অধিকার হলো, স্বামী তাকে এমন কিছু অর্থ দেবে, যা সে নিজের ইচ্ছামতো ব্যয় করতে পারে। এর পরিমাণ স্ত্রীর অবস্থা এবং স্বামীর আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।” মুনতাখাব আনমোল মোতি, পৃ. ১৪২ অন্যত্র তিনি স্ত্রীকে হাতখরচ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে লিখেছেন— “দ্বীনি ও দুনিয়াবি বিভিন্ন প্রয়োজন ও ব্যয়ের প্রয়োজন প্রায়ই দেখা দেয়। অধিকাংশ নারীর নিজস্ব পৃথক সম্পদ থাকে না। তাই পুরুষদের উচিত, ওয়াজিব ভরণ-পোষণ ও মহরের বাইরেও নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এমন কিছু অর্থ স্ত্রীকে দেওয়া, যাতে প্রয়োজনের সময় সে তা ব্যয় করতে পারে।” তুহফায়ে যাওজাইন, পৃ. ৮৫, আল-মীযান প্রকাশনী। (মিশকাতুল মাসাবীহ ২/২৮১, আল ফিকহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু ৯/৬৫৯৮-৬৫৯৯, দারুল ফিকর প্রকাশ) Khairul Islam 26/7/2026 হানাফী ফিকহ-Hanafi Fiqh
без подписи
без подписи
একটি সতর্কবার্তা: ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় সচেতন হোন সম্প্রতি সিলেটের শ্রীমঙ্গলের একটি রিসোর্টকে কেন্দ্র করে এমন একটি ঘটনার অভিযোগ সামনে এসেছে, যা সত্যিই উদ্বেগজনক। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি দম্পতি সেখানে অবস্থান শেষে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদের একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইলের হুমকি পান। যদি অভিযোগটি সত্য হয়ে থাকে, তবে এটি শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; মানুষের ইজ্জত, সম্মান ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপর জঘন্য আঘাত। এই ঘটনা আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। আজ শুধু অনলাইনে নয়, অফলাইনেও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই হোটেল, রিসোর্ট বা যেকোনো আবাসিক স্থানে অবস্থানের আগে যথাসম্ভব সতর্ক থাকুন। কক্ষ, বিশেষ করে বেডরুম ও ওয়াশরুমে কোনো অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক ডিভাইস আছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন। শতভাগ নিশ্চিত হওয়া সব সময় সম্ভব না হলেও প্রাথমিক সতর্কতা অনেক ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। ইসলাম মানুষের ইজ্জত ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে অত্যন্ত মর্যাদা দিয়েছে। অন্যের গোপন বিষয় অনুসন্ধান, গোপনে নজরদারি করা বা তা প্রকাশ করা শরীয়তে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আর যদি কেউ এমন ব্ল্যাকমেইল বা গোপন ক্যামেরার শিকার হন, তাহলে ভয় বা লজ্জায় নীরব থাকবেন না। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করুন। অপরাধীদের আড়াল করা নয়; আইনের আওতায় আনা-ই সমাজকে নিরাপদ রাখার সঠিক পথ। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবার ইজ্জত, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা হেফাজত করুন। আমীন।
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, “বর্তমান সময়ে একজন বান্দার জন্য ঋণ করে হলেও বিয়ে করা আবশ্যক; যাতে সে এমন কিছুর দিকে না তাকায় যা তার জন্য নিষিদ্ধ। অন্যথায় তা তার আমলসমূহকে ধ্বংস করে দেবে।” সূত্র: [কিতাবুস সলাহ লি ইবনিল ক্বইয়িম, পৃষ্ঠা ১১০]
কুরআনের আয়াতসম্বলিত পোস্টে ‘হা হা’—একটি সতর্কতা এ পোস্টে অসংখ্য মানুষ হা হা রিয়েক্ট দিয়েছেন। অথচ পোস্টটিতে কুরআনের একটি আয়াতের তরজমা রয়েছে। বিষয়টি সত্যিই কষ্টদায়ক। তবে এর দায় কার? আমার মতে, কুরআনের আয়াতকে এভাবে অপপ্রয়োগ ও প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনা না করে রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে উপস্থাপনের সম্পূর্ণ দায় সংশ্লিষ্ট পেজের অ্যাডমিন ও যারা এটি প্রচার করেছেন, তাদের। নিজের নেতা বা দলকে রক্ষা করতে গিয়ে কুরআনের আয়াতকে এমন বিতর্কিত প্রেক্ষাপটে ব্যবহার করা অত্যন্ত দায়িত্বহীন কাজ। স্থান, কাল ও পাত্র বিবেচনা না করলে এমন প্রতিক্রিয়াই সৃষ্টি হয়। মানুষ অনেক সময় বক্তাকে প্রত্যাখ্যান করতে গিয়ে বার্তার প্রতিও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখায়। তবে যারা হা হা রিয়েক্ট দিয়েছেন, তাদেরও সতর্ক হওয়া উচিত। আপনার উদ্দেশ্য যদি পোস্টদাতা বা তার বক্তব্যকে বিদ্রূপ করাও হয়ে থাকে, বাস্তবে সেই প্রতিক্রিয়া কুরআনের আয়াতসংবলিত পোস্টের ওপরই দৃশ্যমান হচ্ছে। এটি অবশ্যই আদবের পরিপন্থী। এ ধরনের ক্ষেত্রে রিয়েক্ট না দিয়ে পোস্টটি এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম। কাজেই যারা এ পোস্টে হা হা রিয়েক্ট দিয়েছেন, তারা তা তুলে নিন এবং আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার করুন। শাইখ Saifuddin Gazi Hafi.
без подписи
https://alpha.hanafifiqh.net/articles/692
без подписи
без подписи
আগামীকাল ‘হানাফী ফিকহ’ ফেসবুক গ্রুপ কর্তৃক আয়োজিত সাপ্তাহিক লাইভ প্রশ্নোত্তর সেশন আয়োজিত হবে। উক্ত লাইভ অনুষ্ঠানে আমাদের সাথে থাকবেন ‘জামিয়া উসমান বিন আফফান রা. খিলখেত, ঢাকা’-এর নায়েবে মুহতামিম মুফতি আফফান বিন শরফুদ্দীন হাফিযাহুল্লাহ। লাইভ অনুষ্ঠানে গ্রুপে পোস্টকৃত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে। এছাড়াও লাইভ চলাকালীন কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন করারও সুযোগ থাকবে। • লাইভ অনুষ্ঠিত হবে: হানাফী ফিকহ (Hanafi Fiqh) ফেসবুক গ্রুপে। • গ্রুপ লিংক: https://facebook.com/groups/hanafifiqhbd/ • লাইভের সময়: ১০ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.; শুক্রবার, রাত ৯:৪০ ঘটিকা উক্ত লাইভ অনুষ্ঠানে আপনারা সবান্ধব আমন্ত্রিত।
জীবন বীমা প্রসঙ্গ— জীবন বীমা সম্পূর্ণ নাজায়েয। তাতে সুদ ও জুয়া বিদ্যমান। তাই সেখানে চাকরি করাও নাজায়েয। এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত বেতন ও পেনশন যেভাবে একজন ব্যক্তির জন্য হারাম তেমনি তার ওয়ারিসদের জন্যও হারাম। তারা এগুলো ভোগ না করে সদকাহ করে দিবে। তবে তাদের মধ্যে যারা কর্মক্ষম ও চলার মত অন্য কোনো ব্যবস্থা নেই তারা প্রয়োজন অনুযায়ী এ সম্পদ ভোগ করতে পারবে। [আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৬৩, আলইখতিয়ার ২/৫৬৮, রদ্দুল মুহতার ৬/৩৮৬, আলবাহরুর রায়েক ৮/২০১, ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/২৭৫, আহকামুল মালিল হারাম পৃ. ৭৪] মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া ঢাকা।
без подписи
• বিষয়: সাহাবীদের নির্ভরযোগ্যতার উপর আপত্তি তোলে হকের উপর থাকা সম্ভব নয়। • আলোচক: মুফতি আফফান বিন শরফুদ্দীন হাফিযাহুল্লাহ (নায়েবে মুহতামিম, জামিয়া উসমান রা., খিলখেত, ঢাকা-১২২৯) ভিডিও লিংক: https://youtu.be/88a9U23VRiA
মাথার সামনের দিকে চুল বড় রেখে পিছন বা মাথার পাশের চুল ছোট করে রাখা যদিও নাজায়েয নয় তবে তা নেক লোকদের রীতিবিরোধী। তাই এ থেকে বিরত থাকা উচিত। (কিতাবুত তারাজ্জুল, ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল ৭৭; বাযলুল মাজহূদ ১৭/৮৩) উল্লেখ্য, চুলের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করা যেতে পারে। ১. বাবরি চুল রাখা। অর্থাৎ কানের লতি পর্যন্ত ঘাড়ের অর্ধেক পর্যন্ত, অধিক লম্বা হয়ে গেলে কাধের কাছাকাছি পর্যন্ত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ সময় বাবরি চুল রেখেছেন। ২. পুরো মাথার চুল মুন্ডিয়ে ফেলা। ৩. পুরো মাথার চুল সমানভাবে ছোট করে রাখা। আর বিধর্মীদের স্টাইলে তাদের অনুকরণে চুল রাখলে সেটা নাজায়েয হবে।